অনলাইন ডেস্ক: পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো: মনিরুজ্জামান এর বিরুদ্ধে স্বেচ্চাচারিতা ও জুলাই অভ্যুত্থানের ছাত্র নেতাদের সাথে দুর্ব্যবহারের অভিযোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। তাদের অভিযোগ সম্পুর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে আখ্যায়িত করেছেন ইউএনও।
৭ অক্টোবর বিকেলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইউএনওর বিরুদ্ধে দেওয়া বক্তব্য ছড়িয়ে পড়লে তিনি লিখিত বক্তব্যের মাধ্যমে তার ব্যাখ্যা দেন।
ইউএনও বলেন আমি ঈশ্ররদী উপজেলায় যোগদান করার আগেই আমার বিরুদ্ধে মানববন্ধন হয়েছে যা খুবই দু:জনক। মানববন্ধনে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। কেউ মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় দিয়ে আমার কাছে আসেনি কিংবা আমি কারও সঙ্গে অসদাচরণ করিনি।
তিনি আরও বলেন গত ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে উপজেলা শিক্ষা অফিসের উদ্যোগে শিক্ষকদের অংশগ্রহণে র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অথচ এই সরকারী প্রোগ্রামকে গুপ্ত মিটিং বলে অপপ্রচার করা হয়। এবং মানববন্ধন পর্যন্ত করা হয়।
![]() |
| ইউএনও মনিরুজ্জামান |
ঘটনার পেছনে স্বার্থান্বেষী মহলের ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত দিয়ে ইউএনও বলেন, “আমি দায়িত্ব নেওয়ার কয়েকদিন পর জানতে পারি ইসলামপুর ঘাট ও সাড়াঘাটে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন হচ্ছে। উপজেলা প্রশাসন তাৎক্ষণিকভাবে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে দুই দিনে ১১টি মামলায় ১১ জনকে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়। এর পর থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ হয়ে যায়। এতে কিছু ব্যক্তি অসন্তুষ্ট হয়ে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার শুরু করেছে।”
তিনি আরও বলেন, “সাড়াঘাটে রানাখড়িয়া তরিয়া মহল ঘাটের ইজারা গ্রহীতা নিজে কার্যক্রম না করে অন্যদের সাবলিজ দিয়েছেন। সাবলিজপ্রাপ্তরা নদীপথে চলাচলকারী নৌকা থেকে ২-৩ হাজার টাকা করে আদায় শুরু করলে আমি সেটি বন্ধের নির্দেশ দিই। আমি আইনগত ব্যাবস্থা নিতে চাইলে তারা আমার বিরুদ্ধে ক্ষুদ্ধ হয়ে মানববন্ধনে অংশ নেয়।
ইউএনও মানববন্ধনে আনা অভিযোগের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, আমি সরকারের একজন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিনিধি হিসেবে আমার উপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে যাবো। যারা মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেছে তারা উদ্দেশ্যপ্রনোদিত হয়েই এই কাজ করেছে।



