Google search engine
Homeজাতীয়খ্রিস্টান মিশনারীর চক্রান্তের শিকার আমাদের পার্বত্য চট্রগ্রাম

খ্রিস্টান মিশনারীর চক্রান্তের শিকার আমাদের পার্বত্য চট্রগ্রাম

সম্পাদকীয় : ভালো নেই আমাদের পহাড়ী এলাকা, আমরা মনে হয় হারাচ্ছি বাংলাদেশের অমূল্য সম্পদ পার্বত্য চট্রগ্রাম। এনজিও সরকারের প্রধান ইউনুস সাহেব এবিষয়টি এরিয়ে যাচ্ছেন, হয়তো নাটের গুরু তিনিই। প্রতিনিয়তই পাহাড়ী সন্ত্রাসীদের হাতে আমাদের সেনাবাহিনীরা পিছু হটছে, অধিকাংশ পাহাড় এখন সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রনের বাহিরে। এবিষয়ে ইউনুস সরকারের কোন পদক্ষেপ দেখছিনা, তিনি জাতিকে দেখাচ্ছেন তার সফলতা ছাত্রলীগের ওয়ার্ড কর্মী গ্রেফতার!

পাহাড়ী অঞ্চলের মূল ঘটনা জাতির সামনে ধামা-চাপা দেয়ার চেষ্টা চলছে। পাহাড়ী সেখানে আমাদের অসংখ্যা মুসলমানদের শহীদ করা হয়েছে, খ্রীষ্টানীয় মিশনারিরা প্রতিনিয়তই তাদের কাজ চালাচ্ছে শত শত মুসলমানদের খ্রীস্টান বানাচ্ছে। সাংবাদিকদের সঠিক তথ্য প্রচার করতে দেয়া হচ্ছে না। সেনাবহিনীর ক্ষমতাকে এনিজিও সরকার সীমিত করে রেখেছে।
পার্বত্য চট্রগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সেখানে ঘোড়ার ঘাস কাটা ছাড়া কোন কাজই করছে না পাহাড়ী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে। রিসেন্ট একটা ঘটে গেলো সেখানে একজন পাহাড়ী মেয়েকে ধর্ষণ করেছে কয়েকজন পাহাড়ী মিলে এটাকে ইস্যু বানিয়ে পাহাড়ী সন্ত্রাসীরা হর্তাল ডেকে অসংখ্য মুসলিমদের বাড়ি ঘর ভাঙচুর করেছে এমনকি সেনাবাহিনীর উপরেও তারা হামলা চালিয়েছে। সেনাবাহিনীকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে একের পর এক তারা সন্ত্রসী কার্যক্রম করে খ্রিস্টান রাষ্ট্র বানানোর পায়তারা চালিয়ে যাচ্ছে।
হঠাৎ একদিন শুনবেন আমাদের পার্বত্য চট্রগ্রামকে তারা খিস্টান রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা দিয়ে দিয়েছে, পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলো তাদের স্বীকৃতিও দিয়ে দিবে তখন পাছায় আঙ্গুল চাপড়ানো ছাড়া কোন উপায় থাকবে না।
পার্বত্য চট্রগ্রাম নিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতারাও আজ চুপ, কেউ কেউ দায়সারা বিবৃতি দিয়েই খ্যান্ত। হযরত ওলামায়ে কেরাম এবিষয়ে ভাববার সময়ই নেই তাদের মাদরাসার দরস-তাদরীসে চরম ব্যস্ত তারা। ইসলাম ও দেশ বিরোধী চক্রান্ত না বুঝলে এই দরস তাদরীস অবশ্যই সুন্নাহ বিরোধী কারণ রাসুল স. এর জীবনই কেটেছে গাজওয়া-সারিয়ায়, ইসলামের দুশমনদের তরবারির নিচে ফেলে জাহান্নামে পাঠানোর কাজে, মসজিদে নববীতে বসে চিফ জাস্টিজের কাজে।
একটু ভাবুন পার্বত্য চট্রগ্রামকে যদি তারা খ্রিস্টান রাষ্ট্র বানাতে সক্ষম হয় তাহলে এখানেই কি তাদের মিশন শেষ না। এর পরে হয়তো তারা থাবা মারবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের উপর। শুধু পার্বত্য চট্রগ্রামে নয় বাংলাদেশের পাহাড় বেষ্টিত সকল এলাকাতেই আজ এনজিওর সহায়তায় খ্রিস্টান মিশনারিরা ব্যাপক তৎপর। হাজার হাজার কোটি টাকার প্রজেক্ট হাতে নিয়ে তারা তাদের মিশনারির কাজ চালাচ্ছে নির্দিধায়। টার্গেট মুসলমানদের খ্রিস্টান বানিয়ে খ্রিস্টান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা।
পঞ্চগড়, ঠাকুরগাও, কুড়িগ্রাম, দিনাজপুর, নেত্রকোণা, খাগড়ছড়ি, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ইত্যাদি জেলাগুলোতে যে পরিমান খ্রিস্টান মিশনারির মাধ্যমে মুসলমানদের খ্রিস্টান বানানে হয়েছে তার সঠিক ক্যালকুলেশন করা মুশকিল এখন।
লেখক :-
মুফতী মুক্তাদির হোসাইন মারুফ
সম্পাদক, আওয়ার পাবনা 24
আরো সংবাদ

কমেন্ট করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

সর্বশেষ