Google search engine
Homeজাতীয়নিউগিনিতে চাঁদা দাবি ও ভাঙ্গচুর, জামাত এমপির জামাতা গ্রেফতার

নিউগিনিতে চাঁদা দাবি ও ভাঙ্গচুর, জামাত এমপির জামাতা গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজধানীর নিউগিনি প্রপার্টিজে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগে জামাতা মিজানুর রহমান গ্রেপ্তারের ঘটনায় নিজের অবস্থান তুলে ধরে বিবৃতি দিয়েছেন কুষ্টিয়া-২ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল গফুর।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) গুলশান বিভাগ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) পশ্চিম মাটিকাটা এলাকা থেকে মিজানুর রহমানকে (৫৯) গ্রেপ্তার করে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, নিউগিনি প্রপার্টিজে হামলার ঘটনায় করা মামলায় তিনি এজাহারভুক্ত আসামি এবং তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে আব্দুল গফুর বলেন, মিজানুর রহমানের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক বিরোধের কোনো সম্পর্ক নেই। একই সঙ্গে এ ঘটনার সঙ্গে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীরও কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই বলে দাবি করেন তিনি।

এমপি আরও দাবি করেন, মিজানুর রহমানের সঙ্গে নিউ গিনি প্রপার্টিজের দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিল এবং প্রতিষ্ঠানটির কাছে তার পাওনা টাকা বকেয়া ছিল। পাওনা আদায়ের জন্য তিনি আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছিলেন বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

আব্দুল গফুরের ভাষ্য অনুযায়ী, পরবর্তী সময়ে প্রতিষ্ঠানটির মালিক সাইফুল ইসলাম পাওনা টাকার একটি অংশ পরিশোধ করেন। তবে বাকি টাকা পরিশোধ না করার উদ্দেশ্যে পাল্টা মামলা করা হয়েছিল এবং সেটি পরে খারিজ হয়ে যায়—এমন দাবিও করেছেন তিনি।

সম্প্রতি নিউগিনি প্রপার্টিজে সংঘটিত হামলা, ভাঙচুর ও অন্যান্য অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সঙ্গে মিজানুর রহমানের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই বলে দাবি করেছেন আব্দুল গফুর। তার অভিযোগ, ব্যক্তিগত ব্যবসায়িক বিরোধকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে ঘটনাটিকে রাজনৈতিকভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে।

তবে এগুলো সংসদ সদস্য আব্দুল গফুরের বিবৃতিতে দেওয়া বক্তব্য ও দাবি। অন্যদিকে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, নিউগিনি প্রপার্টিজে হামলার মামলায় মিজানুর রহমানকে এজাহারভুক্ত আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তদন্ত চলছে। ফলে মামলার অভিযোগ ও এমপির বক্তব্য—দুই পক্ষের তথ্য আলাদাভাবে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

পুলিশ ও বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজধানীর ইসিবি চত্বরের দক্ষিণ মানিকদীতে নিউগিনি প্রপার্টিজের প্রকল্পে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগে ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা হয়। ওই মামলায় মিজানুর রহমানকে ৯ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি করা হয়েছে।

ঘটনাটির তদন্তে পুলিশ আরও কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে এবং হামলায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানানো হয়েছে।

সূত্র: ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ

আরো সংবাদ

কমেন্ট করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

সর্বশেষ